Class 8 Model Activity Task Bengali September

Class 8 Model Activity Task Bengali September

এখানে শিক্ষাদপ্তর থেকে দেওয়া অষ্টম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের ‘Model Activity Task 2021 3rd Series (September)’ এর প্রশ্নগুলির উত্তর আলোচনা করা হয়েছে। তোমরা বিষয় ভিত্তিক খাতায় উত্তরগুলো তৈরি করো।

Class 8 Model Activity Task Bengali September, 2021

Class 8 Model Activity Task Bengali September, 2021

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

১.১ ‘তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও’ — কার পাশে দাঁড়ানোর এই আহ্বান?


উত্তর: ‘দাঁড়াও’ কবিতায় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় মানুষকেই মনুষত্ববোধ, শুভ চেতনা ইত্যাদি সদ্গুণগুলির জাগরণের মধ্য দিয়ে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন।

১.২ ‘রমেশ অবাক হইয়া কহিল, ব্যাপার কী?’ — উত্তরে চাষিরা কি বলেছিল?


উত্তর: রমেশের প্রশ্নের উত্তরে চাষিরা বলেছিল একশো বিঘে মাঠ জলে ডুবে গিয়েছে, জল বার করে না দিলে সমস্ত ধান নষ্ট হয়ে যাবে, গাঁয়ে একটা ঘরও খেতে পাবে না।

১.৩ ‘একটা স্ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তূপ।’ — কাদের দেখে একথা মনে হয়?


উত্তর: রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি ছন্নছাড়া বেকার যুবক যাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের কোনো উপকরণ নেই, তাদের দেখেই কবির উক্ত কথা মনে হয়।

১.৪ ‘গাছের জীবন মানুষের জীবনের ছায়ামাত্র।’ — লেখকের এমন মন্তব্যের কারণ কী?


উত্তর: লেখক জগদীশচন্দ্র বসু গাছকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে বলেছেন মানুষের মতোই গাছের জীবনেও অভাব-অনটন, দুঃখকষ্ট, সদ ও অসদ্গুণ, বন্ধুত্ব সবকিছুই লক্ষ করা যায়। গাছের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন মানবিক বৈশিষ্ট্যের পরিচয় মেলে। তাই লেখক উক্ত মন্তব্যটি করেছেন।

১.৫ ‘তবু নেই, সে তো নেই, নেই রে’ — কী না থাকার যন্ত্রণা পঙ্ক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে?


উত্তর: অনন্তকাল ধরে সন্ধান করেও হাওয়ারা ঘর-দেশ-ঠিকানা খুঁজে পায়নি। পৃথিবীর জলে, স্থলে, পাহাড়ে জঙ্গলে কোনো প্রান্তেই তাদের নিশ্চিন্ত বাসস্থান নেই। হাওয়াদের এই আশ্রয় খুঁজে না পাওয়ার যন্ত্রনা পঙ্ক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে।

১.৬ ‘ছন্দহীন বুনো চালতার’ — ‘বুনো চালতা’কে ছন্দহীন বলা হয়েছে কেন?


উত্তর: কবি তাঁর পাড়াগাঁর দ্বিপ্রাহরিক প্রকৃতির কিছুটা ছবি এঁকেছেন কবিতায়। জলসিঁড়ি নদীর পাশে বহুদিন ধরে নুয়ে আছে গ্রামের বুনো চালতা গাছটি। অপরিকল্পিতভাবে সেটি সেখানে অবস্থান করছে। কেউ তার যত্ন নেয়নি বা এখনও নেয় না। অবহেলা সয়েই সে বিস্তার করেছে তার শাখাপ্রশাখা। নিজের মতো করেই চালতা অবস্থান করছে বলে তাই সে এলোমেলো তথা ‘ছন্দহীন’।

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:

২.১ ‘দাঁড়াও’ কবিতার ভাববস্তু আলোচনা করো।


উত্তর: ‘দাঁড়াও’ কবিতায় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় বর্তমান পৃথিবীর সংকীর্ণ মানসিকতাসম্পন্ন মানুষদের সমস্ত বিভেদবোধ ভুলে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বলেছেন। পৃথিবী যত উন্নত হয়েছে, ততই মানুষে মানুষে বিদ্বেষ বেড়েছে, বেড়েছে অসহায় মানুষদের প্রতি শোষণ। শোষক ও শোষিতের মধ্যেকার ব্যবধান সমাজে এনেছে বিচ্ছিন্নতা। কবি তাই কেবল নিজের স্বার্থ-বিষয়ে সচেতন মানুষদের অনুরোধ করেছেন, তারা যেন সমাজের বঞ্চিত ও অবহেলিত শ্রেণির পাশে এসে দাঁড়ায়। “মানুষ বড়ো কাঁদছে, তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও।” — কথাটি উচারণের মধ্যে দিয়ে কবির সমাজচেতনতা ও সংবেদনশীল সত্তার পরিচয় ফুটে উঠেছে। মানুষে-মানুষে এই বৈষম্য দূর করা সম্ভব, যদি প্রত্যেকে ‘মানুষ হয়ে’ প্রত্যেকের পাশে দাঁড়ায়। একমাত্র মনুষত্বের জাগরণই পারে, পৃথিবীতে সাম্য ফিরিয়ে আনতে। কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় সাম্যবাদী ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন। তাই, কবিতাটির মূল বিষয়বস্তুতে মনুষ্যত্ব ও মানবতাবোধের প্রকাশ ঘটেছে।

২.২ ‘রমেশ বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হইয়া গেল।’ — রমেশের বিস্ময়ের কারণ কী?


উত্তর: রমেশ প্রজাদের ধান জমি রক্ষার জন্য বাঁধ কেটে জল বের করার ব্যাপারে বেণী ঘোষালের কাছে অনুরোধ করেও ব্যর্থ হয়। রমেশের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, রমা তার সঙ্গে সহমত পোষণ করবেই। তাই সে জলার তৃতীয় শরিক রমার কাছে যাওয়া স্থির করে। সে ভাবে, রোমা রাজি হলে এক বেণীর আপত্তিতে কোনো কাজ হবে না। কিন্তু রমাকে বিষয়টি জানাতেই সে প্রথমে মাছের বন্দোবস্তের কথা জিজ্ঞাসা করে। রমেশ তখন অত জলে মাছের বন্দোবস্ত করা সম্ভব নয় এবং এই সামান্য ক্ষতিটুকুকে মেনে নিতে অনুরোধ জানালে রমা সোজাসুজি জানিয়ে দেয়, অতগুলো টাকা সে লোকসান করতে পারবে না। রমার এই অপ্রত্যাশিত উত্তরে আর সেই সঙ্গে রমার অমানবিক, স্বার্থপর মনোভাবের পরিচয় পেয়ে সেই সঙ্গে নিজের ভাবনার চরম বৈপরীত্য উপলব্ধি করে রমেশ বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হয়ে গেল।

২.৩ ‘আমি নেমে পড়লুম তাড়াতাড়ি।’ — কথক কোথা থেকে, কেন নেমে পড়েছিলেন?


উত্তর: ‘ছন্নছাড়া’ কবিতায় উদ্দিষ্ট ছন্নছাড়া আড্ডাবাজ যুবকেরা গাড়িচাপা পড়ে আহত হওয়া ভিখিরির রক্তমাখা দেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য কথকের ভাড়া করা ট্যাক্সিতে তুলেছিল। কথক তাই ভিখিরির শরীরে লেগে থাকা রক্তের দাগ থেকে নিজের কাপড় বাঁচাতে এবং ভদ্রতা ও শোভনতা রক্ষা করতে তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে নেমে পড়েন। আলোচ্য প্রসঙ্গে কবি আসলে সমাজের গা-বাঁচিয়ে-চলা মানুষের সামাজিক কর্তব্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অমানবিক আচরণকে কটাক্ষ করেছেন।

২.৪ জীবনের ধর্ম ‘গাছের কথা’ রচনায় কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে?


উত্তর: ‘গাছের কথা’ রচনায় বিজ্ঞানাচার্য জগদীশচন্দ্র বসু গাছের জীবনধর্মের আলোচনা প্রসঙ্গে জীবনের স্বাভাবিক ও সাধারণ ধর্ম সম্পর্কে সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন। শুকনো ডাল আর জীবিত গাছের তুলনা করে তিনি বলেছেন বিকাশ, বৃদ্ধি ও গতি হল জীবনের ধর্ম। শুকনো ডালের এই বৈশিষ্ট্য নেই। ‘গতি’ বোঝাতে লেখক লতানো গাছের উদাহরণ দিয়েছেন। বিকাশ ও পরিণতি যে প্রাণের ধর্ম তা বোঝাতে তিনি বীজ ও ডিমের কথা বলেছেন। উত্তাপ, জল ও মাটির সংস্পর্শে বীজ থেকে অঙ্কুরোদ্গম হয় এবং তা থেকে যথাসময়ে চারাগাছ বৃদ্ধি পেয়ে পরিণত হয়ে ওঠে। অনুরূপভাবে মানব জীবনেও উপযুক্ত পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

২.৫ ‘কী করে বুঝব, আসলে কী করতে হবে?’ — উদ্ধৃতিটির আলোকে ‘বুকু’ চরিত্রটির অসহায়তার স্বরূপ উদ্ঘাটন করো।

উত্তর: ‘কী করে বুঝব’ গল্পের প্রধান চরিত্র বুকু সহজ, সরল ও সৎ। বাবা-মায়ের শেখানো কথাকে সে যথার্থ ও সত্য বলে মনে করে। কিন্তু সে জানেনা, বাইরের লোকের সামনে সব কথা সব সময় বলতে নেই। তাতে বাড়ির গুরুজনেরা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন এবং অকারণ জটিলতার সৃষ্টি হয়। ছোট্ট নিষ্পাপ ছেলেটি অতিরিক্ত স্পষ্টবাদী বা সত্যবাদী হতে গিয়েই বাবা-মায়ের কাছে প্রচন্ড মার খায়।


বয়সে ছোটো হওয়ায় তার মনের মধ্যে বাস্তবের জটিল মারপ্যাঁচ এখনও তৈরি হয়নি। সে জানত না কোথায়, কখন, কোন কথা বলতে হবে। কোন কথাতে কে, কতটা আঘাত পায় বা অসম্মানিত বোধ করে, সেসব বোঝার ক্ষমতা তার এখনও হয়নি। সে যদি সরল মনের বালক না-হত, তাহলে কখনোই সে অমন কথা সবার সামনে বলত না। তার মা তাকে শিখিয়েছিলেন — সর্বদা সত্য কথা বলতে হবে এবং কোথাও কিছু গোপন করা যাবে না। কিন্তু কোথায় কোন কথা বলা যাবে না সেটি তিনি শেখাননি। সামাজিক জটিল জীবনযাপন সম্পর্কে অনবহিত বুকু বাবা-মায়ের হাতে মার খেতে খেতে কাঁদতে কাঁদতে তাই বলে — দুপুরবেলায় তো তারা বলেছিল সবসময় সত্য কথা বলতে — তবে এখন কেন তারা এমন আচরণ করছে।

২.৬ ‘আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প’ — গল্পটি বিবৃত করো।


উত্তর: গল্পটি হল, নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রভিনশিয়াল কনফারেন্সে বাংলা ভাষার প্রচলন। লেখক- শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তাঁর কাকা রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যদের সঙ্গে গিয়েছিলেন নাটোরে। সে এক হৈ হৈ রৈ রৈ ব্যাপার। প্রথমে স্পেশাল ট্রেন ও পরে স্টিমারে করে পদ্মা পেরিয়ে নাটোর। এই সম্মেলনের অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি নাটোর-মহারাজ জগদীন্দ্রনাথ। তাঁর ব্যবস্থাপনায় এক রাজকীয় আয়োজন। যেমন- খাওয়াদাওয়া, তেমনই অন্যান্য সব ব্যবস্থা। তারপর যথারীতি শুরু হয় গোলটেবিল বৈঠক এবং বক্তৃতা। ইংরেজিতে যেই বক্তৃতা শুরু হয়, সঙ্গে সঙ্গে ‘বাংলা, বাংলা’ বলে অবনীন্দ্রনাথ ও তাঁর সঙ্গীরা প্রতিবাদ শুরু করেন। এরপর কেউ আর ইংরেজিতে বক্তৃতা করতে পারেননি। এমনকি ইংরেজি দুরস্ত লালমোহন ঘোষও শেষপর্যন্ত বাংলায় বলতে বাধ্য হন। এটি লেখকের মনে রাখার মতোই ঘটনা। এভাবেই কনফারেন্সে বাংলা ভাষা চালু হয়। এ সম্পর্কে লেখক জানান, ‘সেই প্রথম আমরা পাবলিকলি বাংলা ভাষার জন্য লড়লুম।’

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

৩.১ নির্দেশক বা বিবৃতিমূলক বাক্যের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করছে।

৩.২ শুন্যস্থান পূরণ করো:


আবেগসূচক বাক্য

আনন্দ আঃ, কী আরাম!
বিস্ময় আহা, কী দেখলাম!
উচ্ছাস শাবাশ, দারুন খেলেছ!
ঘৃণা ছিঃ, কী বাজে মন্তব্য করলে!

৩.৩ উদাহরণ দাও:


ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য:- যাওয়া, বলা, দেখা
সাপেক্ষবাচক সর্বনাম:– যত-তত, যেমন-তেমন, যাকে-তাকে
সর্বনামের বিশেষণ:- কী সমস্যা। নিজস্ব ব্যাপার।
আলংকারিক অব্যয়:-তো মেয়ে মেয়ে নয়, দেবতা নিশ্চয়। যাও না কোনো সমস্যা নেই।
অসমাপিকা ক্রিয়া: সে বাড়ি এসে , অরুন মাঠে গিয়ে

৩.৪ ‘ কাঁচা’ ও ‘বসা’ শব্দদুটিকে পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করে বাক্য রচনা করো।

কাঁচা দিয়ে বাক্য-
(i) কাঁচা বয়সে অনেকেই ভুল করে ( কম বয়স)।
(ii) শুভম অংকে বড্ড কাঁচা (অদক্ষ)।
(iii) সে কখনই কাঁচা কাজ করে না (অপরিণত বুদ্ধি)।
(iv) কাঁচা মালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে (শিল্পের উপাদান)।
(v) কাঁচা সোনায় খাদ মিশিয়ে গহনা তৈরী করতে হয় (বিশুদ্ধ)।

বসা দিয়ে বাক্য:-
(i) আগামীকাল গ্রাম সংসদের মিটিং বসবে। (অনুষ্ঠিত হওয়া)
(ii) দইটা এখনও বসেনি। (জমে যাওয়া)
(iii) এভাবে বসে থাকলেই দিন চলবে? (নিষ্কর্মা হওয়া)
(iv) তালায় চাবিটা বসছে না। (মাপসই হয়ে লাগা)
(v) দুধের শিশুটি দোলনায় বসে দোল খাচ্ছে। (অধিষ্ঠান করা)

৪. বন্যার প্রকোপে গ্রামের বহু কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে — নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংবাদপত্রের সম্পাদকের কাছে একটি চিঠি লেখ।


উত্তর:
মাননীয়
সম্পাদক মহাশয় সমীপেষু,
দৈনিক ভোরের বার্তা, ২২/০৯/২০২১
৩, বঙ্কিম চ্যাটার্জী স্ট্রিট,
কলকাতা – ৭০০০৭৩


বিষয়: নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ।


সবিনয় নিবেদন,
হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের ওপর দিয়ে বয়ে চলে গিয়েছে ‘বাংলার দুঃখ’ দামোদর নদ। নদীর দু-তীরেই আছে অগণিত সাধারণ কৃষকদের নিজস্ব জমি, যাদের একমাত্র জীবিকা চাষবাস। সোনালি ফসল ঘরে তুলবে- এই আশাতেই তারা চাষবাস করে। কিন্তু ‘আশায় মরে চাষা’। কারণ পূর্ব ও পশ্চিম দিকের নদীর পাড়দুটি খুবই ভঙ্গুর, চারিদিকে বড়ো বড়ো গর্ত। বিশেষ করে নদীর পশ্চিম পাড়টি খুবই দুর্বল। তাই, প্রায় প্রতি বছরই প্রবল বন্যার কবলে পড়তে হয় এই দুটি এলাকার সাধারণ মানুষদের। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাদের চাষের জমি। সমস্ত ফসল নষ্ট হয়ে যায় নদীর বিধ্বংসী গ্রাসে। এমন অবস্থায় অদৃষ্টের কাছে নালিশ জানানো ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় থাকে না। তাই আপনার কাছে আমার একান্ত অনুরোধ, সাধারণ কৃষকদের কথা ভেবে আপনার পত্রিকায় যদি একটু জায়গা দিয়ে পত্রটি জনসমক্ষে প্রকাশ করে এদের সমস্যাটি তুলে ধরেন, তাহলে খুব ভালো হয়।
আশা করব, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আপনার পত্রিকায় আমার পত্রটি প্রকাশ করবেন।


নমস্কারান্তে
কালিপদ রায়

২২/০৯/২০২১
আমতা-২
উদয়নারায়ণপুর, হাওড়া

সমস্ত বিষয়ের উত্তর পেতে: Click Here

1. You may also like: Class 8 Model Activity Task 2021 All Subjects 3rd Series (September)

2. You may also like: কীভাবে ‘Student Credit Card’ এর জন্য আবেদন করতে হবে।

Class 8 Model Activity Task Bengali September, 2021

Official Website: Click Here

Class 8 Bengali Model Activity Task Part 6

Model Activity Task Class 8 Bengali 2021

Leave a Comment

CLOSE

You cannot copy content of this page