শরৎকাল রচনা

শরৎকাল
ভূমিকা:

বর্ষার পর আসে শরৎকাল। ভাদ্র আশ্বিন এই দুই মাস জুড়ে শরৎকাল। এই সময়ে বর্ষার কালো মেঘ আকাশ থেকে বিদায় নেয়।

প্রকৃতির অবস্থা:

এই ঋতুতে নীল আকাশে সাদা সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়। এই সময় প্রকৃতি অপরূপে সাজে সেজে ওঠে। সবুজ গাছের ওপর জ্যোৎস্নার আলো পড়ে অপূর্ব দেখায়। সকালবেলা ঘাসের ডগায় শিশিরের উপর সূর্যের আলো পড়ে চিকচিক করে। শিউলি, শেফালী, পদ্ম, কাশ প্রভৃতি ফুল এই সময় ফোটে। শরতের রূপের তুলনা হয় না। এই সময়ের আবহাওয়া মনোরম থাকে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড উত্তাপ বা শীতের প্রচন্ড ঠান্ডা কোনোটাই এই সময় থাকে না।

উৎসব:

শরৎ আনন্দের ঋতু, উৎসবের ঋতু। এই ঋতুর প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা। ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত চার দিন পুজো হয়। এই পূজার উপলক্ষে স্কুল, কলেজ, অফিস ,আদালত, সব বন্ধ থাকে। প্রবাসী বাঙালি ঘরে ফিরে। মানুষের জীবনে দুঃখ-কষ্ট-ক্লান্তি সব ভুলে যায়। নতুন পোশাক পরে মানুষ আনন্দে মেতে ওঠে।

উপকারিতা ও অপকারিতা:

শরৎকালে ধানের মাঠ আমাদের মনের আশা জাগায়। আর বিভিন্ন উৎসব আনন্দ দেয় ক্লান্তি দূর করে বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভেদ ভুলে মানুষ একসঙ্গে মিলিত হয়। শরৎকালে অসুখ-বিসুখ কম হয়। কিন্তু কোন কোন বছরে আশ্বিন মাসে প্রকাণ্ড ঝড় হয়। তাতে ফসল গাছপালা ও বাড়ির ক্ষতি হয়।

উপসংহার:

মানুষের মনে আনন্দ জাগিয়ে পরস্পরের মধ্যে বিভেদ ভুলিয়ে শরৎকাল বিদায় নেয়। শরৎকাল সবার প্রিয় ঋতু।

আরও পড়ুন:

শীতকাল রচনা

বর্ষাকাল রচনা

বিজ্ঞান: আশীর্বাদ না অভিশাপ

বাংলার উৎসব রচনা

ছাত্র জীবনে খেলাধূলার প্রয়োজনীয়তা

👉 সমস্ত রচনা দেখতে: Click Here
Subscribe Our YouTube Channel: Click Here

Leave a Comment