HS Philosophy বচন Question-Answer

HS Philosophy বচন Question-Answer

দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন বিষয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় “বচন” থেকে MCQ ও DAQ প্রশ্ন আসে। আজকে আমরা এই অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ DAQ শেয়ার করলাম। এগুলি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উচ্চ মাধ্যমিক (H.S)
বিষয়: দর্শন (Philosophy)
দ্বিতীয় অধ্যায়: বচন

প্রশ্নমান: ৮


১. নিরপেক্ষ ও সাপেক্ষ বচন কাকে বলে? উভয়প্রকার বচনের পার্থক্য দেখাও। সংযোজকের কাজ কী?

উত্তর:

নিরপেক্ষ বচন:
যে বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের সম্বন্ধ কোনোরকম শর্তের ওপর নির্ভর করে না অর্থাৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়কে শর্তনিরপেক্ষভাবে স্বীকার / অস্বীকার করা হয় তাকে নিরপেক্ষ বচন বলে।
যেমন- কোনো কোনো প্রাণী হয় বুদ্ধিমান।
এই বচনে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কোনো কোনো প্রাণীর সম্বন্ধকে নিঃশর্তভাবে স্বীকার করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাণীর সঙ্গে বুদ্ধিমত্তার সম্পর্ক কোনো শর্তনিরপেক্ষ নয়।

সাপেক্ষ বচন:
যে বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে সম্বন্ধে স্বীকৃতি / অস্বীকৃতি শর্তনির্ভর তাকে সাপেক্ষ বচন বলে।
যেমন- ‘যদি রাম আসে তবে আমি যাব।’
–এই বচনে আমার যাওয়া রামের আসার উপর নির্ভরশীল, তাই বচনটি শর্তসাপেক্ষ।

নিরপেক্ষ ও সাপেক্ষ বচনের পার্থক্য:
(i) নিরপেক্ষ বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের সম্বন্ধ শর্তনিরপেক্ষ। কিন্তু সাপেক্ষ বচনে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের সম্বন্ধ শর্তসাপেক্ষ।

(ii) নিরপেক্ষ বচন (A,E,I,O) মাত্রই অযৌগিক বচন। কিন্তু সাপেক্ষ বচন মাত্রই যৌগিক।

(iii) নিরপেক্ষ বচনে গুন ও পরিমান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়। কিন্তু সাপেক্ষ বচনে গুন ও পরিমান স্পষ্টভাবে সর্বদা উল্লেখ করা থাকে না।

(iv) নিরপেক্ষ বচনের আকার হলো- S হয় P অথবা S নয় P ; কিন্তু সাপেক্ষ বচনের আকার হল- যদি p তবে q (প্রাকল্পিক), আর p অথবা q (বৈকল্পিক)

(v) নিরপেক্ষ বচনের চারটি অংশ। যথা- পরিমানক, উদ্দেশ্য, সংযোজক ও বিধেয়। কিন্তু সাপেক্ষ বচনের প্রাকল্পিক বচনের দুটি অংশ– পূর্বগ ও অনুগ। আবার বৈকল্পিক বচনের দুটি অংশ– প্রথম বিকল্প ও দ্বিতীয় বিকল্প। বৈকল্পিক বচনের দুটি অংশই বিকল্প নাম পরিচিত।

(vi) নিরপেক্ষ বচনকে চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. সামান্য সদর্থক বচন (A), ২. সামান্য নঞৰ্থক বচন (E), ৩. বিশেষ সদর্থক বচন (I), ৪. বিশেষ নঞৰ্থক বচন (O)
অন্যদিকে সাপেক্ষ বচন তিন প্রকারের। যথা- ১. প্রাকল্পিক বচন ২. বৈকল্পিক বচন ৩. দ্বি-প্রাকল্পিক বচন।

সংযোজকের কাজ:
সংযোজক কোনো পদ নয়। নিরপেক্ষ বচনের অন্তর্গত উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যে সম্বন্ধ স্থাপনকারী শব্দ বা চিহ্ন হল সংযোজক। যেমন- ‘সকল মানুষ হয় মরণশীল’। এই নিরপেক্ষ বচনটিতে ‘মানুষ’ পদের সঙ্গে ‘মরণশীল’ পদের সম্বন্ধ স্থাপনকারী শব্দ হল ‘হয়’। সংযোজক সর্বদা ‘হওয়া’ ক্রিয়ার বর্তমান কালের রূপ হয়।
2. বাক্য থেকে বচনে রূপান্তর করো:

১. বিদ্বান ব্যক্তি সর্বদা পূজিত হন।
২. কেবনমাত্রই ধার্মিকরাই সুখী।
৩. বৃত্ত কখনোই বর্গাকার নয়।
৪. বেশিরভাগ ছাত্রই অমনোযোগী।
৫. চকচক করলেই সোনা হয় না।
৬. খুব কম লোকই বুদ্ধিমান।
৭. মানুষ জ্ঞানী।
৮. সব শিক্ষিত ব্যক্তি উদারচেতা নয়।
৯. কেবলমাত্র মুষ্টিমেয় ভারতীয় বিজ্ঞানী।
১০. কোনো কিছুই যুগপৎ লাল ও সাদা নয়।
১১. ধার্মিক ব্যক্তি কদাচিৎ সুখী হন না।
১২. মহান ব্যক্তি ব্যতীত কেউই মহানদের অসুখী মনে করে না।
১৩. সকলেই বন্ধু নয় যাদের বন্ধু বলে মনে হয়।
১৪. আমি ত্রুদ্ধ না হলে কাঁদি না।
১৫. সে কখনো কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি ব্যবহার করে না।
১৬. সকলেই সাধু নয় যারা গির্জায় যায়।
১৭. যে কাপুরুষ সে পলায়ন করে।
১৮. যে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে সে তার নিজের ছায়া দেখতে পায় না।
১৯. টিন নির্মিত এমন কোন বস্তু নেই যা সস্তা নয়।
২০. সোনাই একমাত্র চকচকে বস্তু নয়।

উত্তর:

১. L.F. ‘A’ – সকল বিদ্বান ব্যক্তি হন পূজিত।
২ L.F. ‘A’ – সকল সুখী ব্যক্তি হন ধার্মিক।
৩. L.F. ‘E’ – কোনো বৃত্ত নয় বর্গাকার।
৪. L.F. ‘I’ – কোনো কোনো ছাত্র হয় অমনোযোগী।
৫ L.F. ‘O’ – কোনো কোনো চকচকে বস্তু নয় সোনা।
৬. L.F. ‘O’ – কোনো কোনো লোক নয় বুদ্ধিমান ব্যক্তি।
৭. L.F. ‘I’ – কোনো কোনো মানুষ হয় জ্ঞানী ব্যক্তি।
৮ L.F. ‘O’ – কোনো কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি নয় উদারচেতা।
৯. L.F. ‘I’ – কোনো কোনো ভারতীয় হন বিজ্ঞানী।
L.F. ‘O’ – কোনো কোনো ভারতীয় নন বিজ্ঞানী।
১০. L.F. ‘E’ – কোনো লাল বস্তু নয় সাদা বস্তু।
১১. L.F. ‘I’ – কোনো কোনো ধার্মিক ব্যক্তি হন সুখী ব্যক্তি।
১২. L.F. ‘A’ – সকল মহান ব্যক্তিদের অসুখী মনে করা ব্যক্তি হন মহান ব্যক্তি।
১৩. L.F. ‘O’ – কোনো কোনো ব্যক্তি যাদের বন্ধু বলে মনে হয় নয় বন্ধু।
১৪. L.F. ‘A’ – সকল সময় যখন আমি ত্রুদ্ধ হই, হয় সময় যখন আমি কাঁদি।
১৫. L.F. ‘E’ – কোনো সময় যখন সে কাজে যায় নয় সময় যখন সে গাড়ি ব্যবহার করে।
১৬. L.F. ‘O’ – কোনো কোনো ব্যক্তি যারা গির্জায় যায় নয় সাধু ব্যক্তি।
১৭. L.F. ‘A’ – সকল কাপুরুষ হন পলায়নকারী ব্যক্তি।
১৮. L.F. ‘E’ – কোনো ব্যক্তি যে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে নয় এমন যে তার নিজের ছায়া দেখতে পায়।
১৯. L.F. ‘A’ – সকল টিন নির্মিত বস্তু হয় সস্তা বস্তু।
২০. L.F. ‘A’ – সকল সোনা হয় চকচকে বস্তু।
L.F. ‘I’ – কোনো কোনো অ-সোনা হয় চকচকে বস্তু।

সমস্ত অধ্যায়ের প্রশ্ন দেখার জন্য: Click Here

HS English Notes: Click Here

বচন চেনার উপায় | উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন সাজেশন | উচ্চ মাধ্যমিক দর্শন প্রশ্ন উত্তর | বচনে রূপান্তর করার নিয়ম | কীভাবে বাক্য থেকে বচনে রূপান্তর করা যায় HS Philosophy বচন Question-Answer

Keywords: HS Philosophy Suggestion | HS Philosophy Question Answer | HS Philosophy Second Chapter Bochon | kivabe bochone rupantor kora jay | Class 12 Philosophy Suggestion | Class 12 Philosophy Question Answer WBCHSE Philosophy Second Chapter

HS Philosophy বচন Question-Answer

4 thoughts on “HS Philosophy বচন Question-Answer”

  1. সেই হলো প্রকৃত মানুষ যার বিবেক আছে। বচন করো এটা কি হবে।

Leave a Comment

CLOSE

You cannot copy content of this page