সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান

সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান লেখো।

ভূমিকা:

উনিশ শতকের পাশ্চাত্যের চিন্তাধারায় দিক্ষিত রামমোহন রায় কুসংস্কার ও অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করে সাধারণ মানুষকে সত্যের পথ দেখাতে উদ্যোগি হয়েছিলেন তাই তাকে ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ বলা হয়।

সংস্কারের উদ্দেশ্যে:

১. কুসংসারমুক্ত আধুনিক ভারতীয় সমাজ গঠন।
২. পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসার করা।
৩. নীরী সমাজের অবস্থার উন্নয়ন।

আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য:

১. নারীদের অবস্থার উন্নতি:-
উনিশ শতকের সমাজ সংস্কারের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল সমাজে নারীদের অবস্থার উন্নতির জন্য আন্দোলন। কারণ তৎকালীন নারীরা ছিল অপাঙতেয় ।

২. কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলন:-
তৎকালীন সমাজে প্রচলিত সতীদাহ, জাতিভেদ, গঙ্গা সাগরে সন্তান নিগর্জন, বহু ও বাল্যবিবাহ প্রথা ক্ষত বিক্ষত করেছিল । রামমোহন রায় এই কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।

৩. সতীদাহ প্রথার উচ্ছেদ:
দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে বেন্টিঙ্কের সহযোগিতায় সপ্তদশ বিধি অনুসারে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে সতীদাহ প্রথা রদ হয়। ৪. উচ্চশ্রেণীর সংস্কার আন্দোলন :-
উনিশ শতকের সমাজ সংস্কার আন্দোলন ছিল ব্রাহ্মণসহ উচ্চ হিন্দু শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ আন্দোলন। রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় তার সংস্কার হতে দেখা যায়।

মুল্যায়ন:

রামমোহন রায় তাঁর বিভিন্ন সমাজ সংস্কারের মাধ্যমে একটি কু-সংস্কার মুক্ত ভারতবর্ষ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সমাজ ও ধর্মের কোনো মৌলিক পরিবর্তন তিনি ঘটাননি। তাই ঐতিহাসিক শালাউদ্দিন ‘সংযত সংস্কার’ বলে অভিহিত করেছেন।

Keywords:
রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা | সমাজ সংস্কারে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান | রাজা রামমোহন রায়ের অবদান pdf | সমাজ সংস্কার আন্দোলনে রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা | রাজা রামমোহন রায়ের সমাজ সংস্কার | সমাজ সংস্কারক হিসেবে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান

👉 ইউনিট টেস্টের প্রশ্নপত্র : Click Here
👉 আমাদের YouTube চ্যানেল: Click Here

Leave a Comment

close

You cannot copy content of this page